২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ০২:০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


খুতবার কারণে মুসলিম নার্সকে বরখাস্ত : আদালতে মামলা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০৬-২০২৫
খুতবার কারণে মুসলিম নার্সকে বরখাস্ত : আদালতে মামলা


প্যালেস্টাইন সংক্রান্ত একটি খুতবা দেওয়ার কারণে হ্যাকেনস্যাক মেরিডিয়ান হেলথের এক মুসলিম নার্সকে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ক্লিফটনের বাসিন্দা খালিল আদেম, যিনি পেশায় একজন নার্স এবং পাশাপাশি খণ্ডকালীন ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তিনি জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে ফ্ল্যান্ডার্সের একটি মসজিদে প্যালেস্টাইন-সংক্রান্ত একটি খুতবা দেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

চাকরিচ্যুত নার্স খালিল আদেম তার সাবেক নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে ২৮ মে নিউজার্সির একটি আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেখানে তিনি ‘কর্মচারী বৈষম্যর’ অভিযোগ তুলেছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করে আদেম তাদের ‘বৈষম্য, হয়রানি ও সোশ্যাল মিডিয়া আচরণবিধি’ লঙ্ঘন করেছেন এবং তারা রোগীদের জন্য সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা থেকে তাকে বরখাস্ত করেছে, যার পেছনে কোনো বাস্তবিক ভিত্তি ছিল না।

খালিল আদেম মূলত সৌদি আরব থেকে আগত এবং ১৯৯০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হন। ২০১৩ সাল থেকে তিনি হ্যাকেনস্যাক মেরিডিয়ান হেলথে কর্মরত ছিলেন এবং ২০২১ সালে পদোন্নতিও পান। মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আদেম ছিলেন একজন ‘পরিশ্রমী, সমস্যা সমাধানে দক্ষ এবং রোগী ও সহকর্মীদের প্রতি সদয়’ ব্যক্তি, যিনি তার কর্মজীবনে সব সময় চমৎকার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন পেয়েছেন।

আলোচ্য খুতবাটি ব্যাপকভাবে মিডিয়ার নজর কাড়ে এবং কিছু ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠীর সমালোচনার মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে মাউন্ট অলিভ পুলিশ ডিপার্টমেন্টে একটি অভিযোগও দায়ের হয়। পরে খালিল জানতে পারেন, কেউ কেউ তার বক্তব্যকে ‘ঘৃণামূলক বক্তৃতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো চার্জ দায়ের হয়নি এবং মাউন্ট অলিভ পুলিশের একজন ক্যাপ্টেন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

খালিল আদেমের এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রে কর্মক্ষেত্রে মুসলিমদের প্রতি বৈষম্য এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আদালত এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত দেয় এবং এ ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা বহন করে।

শেয়ার করুন