১২ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, ০২:২৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন উজ্জীবিত নববর্ষ উদযাপন যে বার্তা দিয়ে গেল ২০২৬ সালের নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে ১৬ মিলিয়ন অভিবাসী ভোটার আইএমএফ’র শর্তের নেপথ্যে রাজনীতি না অন্যকিছু


বাংলাদেশের জন্য আরো ১.৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় আইএমএফ’র
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৫-০৬-২০২৫
বাংলাদেশের জন্য আরো ১.৩ বিলিয়ন ডলার ছাড় আইএমএফ’র আইএমএফ’র লগো


বাংলাদেশের জন্য দুই কিস্তিতে আরও ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ছাড় করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একইসঙ্গে, দুই কর্মসূচির চলমান ঋণচুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। 

এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ), এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি (আরএসএফ) নিয়ে করা চুক্তির তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ের পর্যালোচনা শেষে গত ২৩ জুন সোমবার এই সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ড। আইএমএফ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ছাড়কৃত অর্থের মধ্যে প্রায় ৮৮৪ মিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) ও এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) কর্মসূচির আওতায়। আর রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি (আরএসএফ) কর্মসূচির জন্য আরও ৪৫৩ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়া হবে।

সংস্থাটির নিয়ম অনুযায়ী, এই অর্থ সাধারণত এক থেকে তিন কার্য দিবসের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা হয়। আইএমএফ একইসঙ্গে ইসিএফ ও ইএফএফ কর্মসূচিতে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলারের বাড়তি সহায়তা এবং ছয় মাস সময় বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে এ দুই কর্মসূচিতে বাংলাদেশকে দেওয়া মোট সহায়তা বেড়ে প্রায় ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। আরএসএফ কর্মসূচিতে আগের মতোই ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বহাল রয়েছে।

আইএমএফ বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ঝুঁকি বাড়লেও বাংলাদেশের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি মোটামুটি সন্তোষজনক। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতে সংস্কার কর্মসূচির অগ্রগতি অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

২০২৩ সালে আইএমএফ বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন করে। এ পর্যন্ত দেশটি তিন কিস্তিতে মোট ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।

শেয়ার করুন