১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৮:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ২৪০ দিন থাকতে পারবেন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-০৯-২০২৫
সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ২৪০ দিন থাকতে পারবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প


অবৈধ অভিবাসীদের পাশাপাশি বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা বিদেশি শিক্ষাথী ও সাংবাদিকদের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রস্তাবিত এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের অবস্থানের সময় কমছে। গত ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসায় বিদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রে চার বছরের বেশি অবস্থান করতে পারবেন না। আর বিদেশি সংবাদিকরা ভিসা নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন মাত্র ২৪০ দিন। যদিও তারা বাড়তি আরো ২৪০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার আবেদন করতে পারবেন। তবে চীনের সাংবাদিকেরা ব্যতিক্রম। তারা শুধু ৯০ দিনের ভিসা পাবেন।

এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং বিদেশি সাংবাদিকরা তাদের নির্দিষ্ট কাজের দায়িত্ব না শেষ হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারেন। যদিও অভিবাসী নন, এমন কাউকে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বছরের বেশি অবস্থানের জন্য ভিসা দেয় না মার্কিন সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, তারা অনির্দিষ্টসংখ্যক এমন বিদেশি শনাক্ত করতে পেরেছে, যারা নিজেদের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে চলেছেন। এর উদ্দেশ্য, তারা যেন শিক্ষার্থী হিসেবে ‘চিরদিন’ যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যেতে পারেন। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রশাসনগুলোর ওপর দায় চাপিয়েছে দফতরটি।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বিদেশি শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছেন এবং মার্কিন করদাতাদের দেওয়া অর্থে ভাগ বসাচ্ছেন। যদিও তারা কীভাবে ভাগ বসাচ্ছেন, তার ব্যাখ্যা দেয়নি মার্কিন দফতরটি। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মার্কিন অর্থনীতিতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ এসেছিল বিদেশি শিক্ষার্থীদের থেকে।

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ লাখের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীকে স্বাগত জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এটি ছিল বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে দেশটির কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিত্বকারী জোট অ্যালায়েন্স অব হায়ার এডুকেশন অ্যান্ড ইমিগ্রেশন। তারা বলেছে, এটি শিক্ষাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর একটি বাধা।

শেয়ার করুন