চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কারা হেফাজতে মোট ১৩ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। গত মাসে এর সংখ্যা ছিল মোট ১৫ জন। এ মাসে ৪ জন কয়েদি ও ৯ জন হাজতির মৃত্যু হয়েছে। তবে আত্মহত্যার বন্দির মৃত্যু ছাড়া সকল বন্দির মৃত্যু হয় কারাগারের বাহিরের হাসপাতালে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির এমএসএফ মানবাধকিার পরস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। মানবাধকিার সংস্কৃতি ফাউন্ডশেন (এমএসএফ) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকটে সুলতানা কামাল
এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহিত তথ্য অনুযায়ী ফেব্রুয়ারিতে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৩ জন কয়েদি ও বগুড়া জেলা কারাগারে ১ জন কয়েদি মারা যান। কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৪ জন, এছাড়া চট্টগ্রাম জেলা কারাগারে, কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে, ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগার, গাইবান্ধা জেলা কারাগারে ও পটুয়াখালি জেলা কারাগারে ১ জন করে হাজতি বন্দি মারা যান। হাজতি মৃত্যুর ঘটনায় কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ও কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে ১ জন করে মোট ২ জন হাজতি কারাভ্যন্তরে আত্মহত্য করেছেন। ১৩ জন মৃত বন্দির মধ্যে ৫জন হাজতি আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী ছিলেন।
এমএসএফ মনে করে, কারা অভ্যন্তরে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি, বন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হেফাজতে মৃত্যুর কারণ যথাযথভাবে তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা হলে এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।