বক্তব্য রাখছেন নেতৃবৃন্দ
মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা)’র লিডারশীপ এডুকেশন সেশনে আলোচকবৃন্দ বলেছেন, আল্লাহর দিকে ডাকা (দাওয়াত দেয়া) হচ্ছে সবচেয়ে বড় নবুয়তি কাজ। এ কাজের জন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (সা:)। দাওয়াত একজন মুমিন (ঈমানদার) এর জীবনের অন্যতম মিশন। মানুষের মাঝে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া ঈমানের অপরিহার্য্য দাবি। গত ১১ জানুয়ারি দিনব্যাপী এডুকেশন সেশনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, দ্বীন ইসলামের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে আল্লাহর খাঁটি বান্দাহ হিসেবে গড়ে তোলা। ইবাদত বন্দেগী একমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদিত করা এবং তার পাশাপাশি উন্নত নৈতিক চরিত্র গঠন ও উত্তম আচার ব্যবহার অবলম্বনে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে ঈমানের উচ্চতর পর্যায়ে উপনীত করার জন্যই আমাদের মাঝে আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রিয় নবীকে প্রেরণ করেছেন। তারা বলেন, রাসূল (সা.) স্বয়ং ছিলেন উত্তম নৈতিক চরিত্রের সর্বোক্তম উদাহরণ। সুতারাং ইসলামের কাজে নিয়োজিত প্রত্যেককে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা:) এর আর্দশে পরিচারিত হতে পারলেই দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা সম্ভব হবে।
তারা বলেন, আল্লাহর দিকে ডাকা হচ্ছে সবচেয়ে বড় নবুয়তি কাজ। এ কাজের জন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (সা:)। আবার যারা এ কাজ থেকে বিরত থাকতে তাদের ওপর আসমানি আজাব আসবে বলেও সতর্ক করেছেন বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (সা:)। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকা। সত্য ও ন্যয়ের ওপর থেকে অন্যকে সত্যের দিকে আহ্বান করা এবং পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত থেকে অন্যকে তা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা।
পুরুষ ও মহিলা তিন শতাধিক লোকের উপস্থিতিতে বিষয় ভিক্তিক আলোচনা করেন, মুনার ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন, ন্যাশনাল এসিস্টেন এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আহমেদ আবু উবাইদা, আব্দুল্লাহ আল আরিফ প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল এসিস্টেন ফাইন্সাস ডাইরেক্টর শেখ জালাল উদ্দিন, ডা: আতাউর রহমান ওসমানী। অনুষ্ঠানে দুপুরের খাবার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সহ সভাপতি আফতাব মান্নান। অনুষ্ঠান যৌথভাবে পরিচালনা করেন নর্থ জোনের সহ সভাপতি মাওলানা ত্বোয়াহা আমিন খান, ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন দিদারুল আলম, এডভোকেট আবুল হাসেম, মঞ্জুর আহমেদ, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, কায়কোবাদ কবির, সামসুল আলম প্রমুখ।