২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ০৬:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের স্বাস্থ্যবীমা ঝুঁকির মুখে কোভিড তহবিল প্রতারণা : ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের দোষ স্বীকার রমজান শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক


আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০১-২০২৬
আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা


প্রায় দুই দশকের আইনি লড়াই শেষে কানাডীয় কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেসের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় লাভ করেছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত (আইসিএসআইডি) এক যুগান্তকারী রায়ে নাইকোকে প্রায় ৪২ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫১৬ কোটি টাকার বেশি) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।


বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে পেট্রোবাংলা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই রায় ঘোষণা করা হয়।


রায়ে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জের টেংরাটিলায় দুটি গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের জন্য নাইকোর অবহেলাই দায়ী ছিল। নাইকো ড্রিলিংয়ের সময় আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল, যা বিস্ফোরণের প্রধান কারণ। প্রাকৃতিক গ্যাসের অপচয় এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের জন্য এই ৪২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের জানুয়ারি ও জুন মাসে ছাতক (টেংরাটিলা) গ্যাসক্ষেত্রে ড্রিলিং করার সময় দুটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দেশের মূল্যবান গ্যাস সম্পদ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকার ও পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করে আসছিল।


অন্যদিকে, নাইকো নিজেদের দায় অস্বীকার করে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে।


আন্তর্জাতিক মহলের পর্যবেক্ষণ জাস মুন্ডি (Jus Mundi) এবং আইসিএসআইডি (ICSID)-এর মতো আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থাগুলো এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি উদাহরণ, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারী কোম্পানিকে পরিবেশগত ক্ষতির জন্য সরাসরি জবাবদিহিতার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। 

শেয়ার করুন