০৩ জুন ২০২৬, বুধবার, ১০:০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের নিউ জার্সির আইস ডিটেনশন সেন্টারে অমানবিক আচরণের অভিযোগ


আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০১-২০২৬
আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা


প্রায় দুই দশকের আইনি লড়াই শেষে কানাডীয় কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেসের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় লাভ করেছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত (আইসিএসআইডি) এক যুগান্তকারী রায়ে নাইকোকে প্রায় ৪২ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫১৬ কোটি টাকার বেশি) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।


বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে পেট্রোবাংলা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই রায় ঘোষণা করা হয়।


রায়ে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জের টেংরাটিলায় দুটি গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের জন্য নাইকোর অবহেলাই দায়ী ছিল। নাইকো ড্রিলিংয়ের সময় আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল, যা বিস্ফোরণের প্রধান কারণ। প্রাকৃতিক গ্যাসের অপচয় এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের জন্য এই ৪২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের জানুয়ারি ও জুন মাসে ছাতক (টেংরাটিলা) গ্যাসক্ষেত্রে ড্রিলিং করার সময় দুটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দেশের মূল্যবান গ্যাস সম্পদ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকার ও পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করে আসছিল।


অন্যদিকে, নাইকো নিজেদের দায় অস্বীকার করে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে।


আন্তর্জাতিক মহলের পর্যবেক্ষণ জাস মুন্ডি (Jus Mundi) এবং আইসিএসআইডি (ICSID)-এর মতো আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থাগুলো এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি উদাহরণ, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারী কোম্পানিকে পরিবেশগত ক্ষতির জন্য সরাসরি জবাবদিহিতার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। 

শেয়ার করুন