৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ১১:৪৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ১৮ অক্টোবর মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি সাবওয়ে স্টেশন ঠান্ডা রাখতে নতুন পরিকল্পনা শিশুদের টিকা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ শতবর্ষী চেম্বারস স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন সংস্কারে বড় প্রকল্প মুসলিম হওয়ায় মৃত্যুর হুমকি, অভিযোগ ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীর হিজাব পরা নারীকে হামলার অভিযোগ : জোনাথন স্ট্রিপের বিরুদ্ধে হেট ক্রাইমের মামলা ইসলাম ও মুসলিম খ্রিস্টান সম্পর্কের অগ্রণী গবেষক এস্পোসিতোর মৃত্যু মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ৪০ বছর কারাদণ্ডের মুখে ভিনসেন্ট তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের


নিউইয়র্কে বিএনপি এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম
মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৮-২০২৬
মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি বক্তব্য রাখেন মঞ্জুরুল ইসলাম এমপি


এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য-মন্তব্য-মতামত প্রসঙ্গে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্তকালে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট আয়োজিত জুলাই দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় এমপি মনজুরুল ইসলাম (দিনাজপুর-১) বলেছেন, ‘পাটওয়ারীর ওপর মাইর শুরু হয়েছে কেবল। আসল মাইর তো শুরুই হয়নি। একজন এমপি হিসেবেই বলছি, ভবিষ্যৎ অনেক কঠিন তার জন্য। কারণ সে শুধু প্রধানমন্ত্রীই নয়, তার স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে যখন কথা বলেন, তখন আমরা সহ্য করতে পারি না। কারণ তারা তো এর কোনো পার্ট না। অথচ প্রতিনিয়ত এটা করছেন। ফ্রিডম অব স্পিচ কি, ফ্রিডম অব স্পিচ এটা না।’

‘তারেক রহমান সাহেব যে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন, বিশ্বাস করুন আপনারা, আমরা যেটা সহ্য করতে পারি না, সেটি তিনি করছেন। তার (তারেক রহমান) সম্পর্কে যেসব বাজে ল্যাঙ্গুয়েজ করছে পাটওয়ারী, তুষার-’, উল্লেখ করেন মঞ্জুরুল ইসলাম এমপি।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট আয়োজিত ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস’-এর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন মঞ্জুরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক পিটার। এছাড়াও অনুষ্ঠানে এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। জুলাইয়ের ঘটনার বিকৃতি নিয়ে একজনে প্রতিবাদ করলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতারা তাকে কনস্যুলেট থেকে বের করে দেয়।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- জাতিসংঘস্থ বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি একেএম ওয়াহিদুজ্জামান, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি গোলাম মর্তুজা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ এবং জিল্লুর রহমান জিল্লু, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা এমএ সবুর, মোশাররফ হোসেন সবুজ ও কুইন্স ডেমোক্রেটিক পার্টির ‘ডিস্ট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ’ অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।

আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য গোলাম ফারুক শাহীন, যুবদলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ আহমেদ, নিউইয়র্ক স্টে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান সাঈদ, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, স্টেট বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান কাউছার, নীরা রাব্বানী, রিপন মিয়া, রিয়াজ মাহমুদ, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন, মনিরুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, লিয়াকত আলী, গিয়াস উদ্দিন, আতিকুল হক আহাদ, ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দুলাল বেহেদু, আবুল কাশেম, নাসিম আহমেদ প্রমুখ।

বের করে দেওয়া হলো নূর হোসেনকে

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করায় নুর হোসেন নামে এক অতিথিকে অপদ’ করে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

অনুষ্ঠানের ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, নুর হোসেন প্রশ্ন করেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একসময় জুলাইয়ের আন্দোলনকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং এতে বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই বলে উল্লেখ করেছিলেন। তাহলে পরবর্তীতে কীভাবে জুলাই আন্দোলনকে বিএনপির ১৭ বছরের রাজনৈতিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে?

প্রশ্ন করার পরপরই অনুষ্ঠানে হট্টগোল শুরু হয়। উপস্থিত কয়েকজন তাকে ‘আপনি কে’, ‘কোত্থেকে এসেছেন’ এবং ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ বলে মন্তব্য করতে শোনা যায়। একপর্যায়ে অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সবাইকে শান্ত হতে বলেন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা না করার আহ্বান জানান। তিনি নুর হোসেনকে কনসাল জেনারেল তার সঙ্গে কথা বলবেন বলে অপেক্ষা করতে বলেন।

এরপর আরেকজন মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে নুর হোসেনের পরিচয় ও আন্দোলনে তার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গিয়াস আহমেদ বলেন, নুর হোসেনকে তিনি আগে আন্দোলন-সংগ্রামে দেখেননি এবং তিনি ‘আওয়ামী লীগের এজেন্ট’ হতে পারেন। কীভাবে সে এখানে প্রবেশ করলো? তাকে কে বা কারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, কনস্যুলেটে এখনো আওয়ামী ভূত রয়েছে।

শেয়ার করুন