২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০:১৩:৩২ অপরাহ্ন


সরকারের দুর্নীতি ও ভুলনীতির দায় জনগনের কাঁধে চাপানো হচ্ছে - সিপিবি
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২১-১১-২০২২
সরকারের দুর্নীতি ও ভুলনীতির দায় জনগনের কাঁধে চাপানো হচ্ছে -  সিপিবি


বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স আজ এক বিবৃতিতে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে বলেছেন, বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের দুর্নীতি ও ভুলনীতির দায় জোর করে জনগনের কাঁধে চাপানো হচ্ছে।


বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত কয়েক বছরে সরকারের নীরবতা, কখনো সহযোগীতায় কয়েক লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে দেশের অর্থনীতি ফোকলা হয়ে গেছে। অন্যদিকে সরকারের ঘনিষ্ঠজনেরা ব্যাংক থেকে ঋণের নামে বেশুমার লুট করে দেশের অর্থনীতিকে চরম সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এই অবস্থায় মুখ রক্ষার জন্য সরকার অর্থনীতির ওপর চাপ কমানোর নামে মানুষের পকেটে হাত ঢুকিয়ে দিতে নানা রকমের কৌশল বের করছে।

ভর্তুকি কমানোর নামে কয়েকদিন পর পর গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির দাম বাড়ানো হচ্ছে। অথচ গত জাতীয় বাজেট প্রনয়ণকালে অর্থমন্ত্রী পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার জন্য যে অনৈতিক ছাড় দিয়েছিলেন তাতে কোনো ফল আসেনি।


দেখা যাচ্ছে, অবাধ লুনঠন বহাল রেখে, খেলাপী ঋণ উদ্ধার না করে আয় কমে যাওয়া সাধারণ মানুষের পকেট নতুন করে কাটতে এই মূল্যবৃদ্ধি অযৌক্তিক ও অনৈতিক। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে খুচরা বিদ্যুৎ এর দাম বাড়বে এবং অনিবার্যভাবে নিত্যপণ্যের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পাবে।


বিবৃতিতে বলা হয়, দায়মুক্তি আইন জারি করে রেন্টাল-কুইক ও অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র বহাল রেখে ক্যাপাসিটি চার্জ-এর সামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা বিশেষ গোষ্ঠী ও কমিশন ভোগীদের দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের ‘দুর্নীতি ও ভুলনীতির’ দাম সাধারণ জনগণ নেবে না। জ্বালানী অপরাধীদের চিহিৃত ও বিচার করতে হবে। সারাদেশে মানসম্পন্ন নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত ও দাম যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করতে হবে।


বিবৃতিতে বলা হয় চলমান দুঃশাসন অব্যাহত থাকলে আইএমএফ এর শর্ত মেনে মূল্যবৃদ্ধির খেলা চলতেই থাকবে। এজন্য জনগণের সচেতন ও সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।


শেয়ার করুন