২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৭:৩০:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের স্বাস্থ্যবীমা ঝুঁকির মুখে কোভিড তহবিল প্রতারণা : ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের দোষ স্বীকার রমজান শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক


২০১৩ সালের ইমিগ্রেশন বিল পুনঃউত্থাপনের প্রস্তাব
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০১-২০২৩
২০১৩ সালের ইমিগ্রেশন বিল পুনঃউত্থাপনের প্রস্তাব


ডেমোক্রেটদের অন্যতম বিতর্কিত সিনেটর জো মানচিন  (ডেমোক্রেট ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া) দক্ষিণ সীমান্তে সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে তার প্রবর্তিত ২০১৩ সালের বাইপারটিজান বিলের প্রস্তাব পুনরায় বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, এই বিল সীমান্তকে অধিকতর নিরাপদ ব্যবস্থার আওতাধীন আনতে পারে। 

মানচিন বলেন, এই বিলে সে সময় ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান ৬৮ জন সদস্য ভোট দিয়েছিলেন। সে বিল হাউজে পেশ করা হয়। গত সপ্তাহে তিনি এই বিল নিয়ে আলোচনাকালে বলেন, বিলটি হাউজে যখন উত্থাপিত হয়নি তখন টি-পার্টি ক্ষমতায় আসছিল। আর হার্ডকোর রিপাবলিকানদের তাতে পোয়াবারো হয়। 

এই বিলটি ছিল ৪২ বিলিয়ন ডলারের। যাতে ৯০০ মাইল কৌশলগত সীমান্ত দেয়াল ও পোর্ট অব এন্ট্রিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এই বিলে যারা এ দেশে অবৈধভাবে আছেন তাদের জন্য একটি পথের নির্দেশনাও ছিল।

মানচিন ইতিপূর্বে বলেছিলেন এই বিল বাস্তবায়িত হলে যারা অবৈধভাবে এদেশে এসেছেন, তাদের বৈধ হওয়ার আবেদন করতে ফাইন দিতে হবে। তাদের একটি নম্বর দেয়া হবে আর সিটিজেন হওয়ার জন্য তাদের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। 

এই প্রসেসে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় বিষয়াদি নিষ্পন্ন করতে হবে। যারা রেজিস্ট্রার্ড হবেন শুধু তাদের হায়ার করা হবে। তাদের ইংরেজি শিখতে হবে। চাকরি পেতে হবে এবং কর দিতে হবে অথবা তাদের ফেরত পাঠানো হবে। যাদের ক্রিমিনাল রেকর্ড আছে, তাদের সঙ্গে সঙ্গেই যেতে হবে। 

তিনি বলেন, এই পরিকল্পনা আসলে কাজ করতো। সিনেটে উভয়দলের সদস্যের তাতে সমর্থন ছিল বলে মানচিন উল্লেখ করেন। গত সপ্তাহে মানচিন বলেন, এই বিলে ‘ডাকাকে’ রক্ষা করা হয়েছিল। ডাকা হচ্ছে শিশু থাকতে যাদের এদেশে আনা হয়েছিল, তাদের সিটিজেনশিপের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। 

এই বিলে সীমান্ত সুরক্ষা ছিল প্রধান বিষয়। সীমান্ত সুরক্ষা না হওা পর্যন্ত কাউকেই এ বিলের মাধ্যমে সিটিজেনশিপ দেয়া হবে না। 

মানচিন বলেন যে, এর অর্থ একটি দেয়াল এক স্থানে বসানো নয়। তাছাড়া এর মাধ্যমে যারা সীমান্ত অতিক্রম করবে এবং গ্রেফতার হবে তাদেরকে পোর্ট অব এন্ট্রিতে নিয়ে গিয়ে প্রসেসিং করতে হবে। 

মানচিন বলেন, ইমিগ্র্যান্টদের তাদের নিজ দেশে প্রক্রিয়ার আওতায় আসা উচিত, তাই-ই তিনি চান। ২০০২ মাইল সফর করার পর তাদের প্রসেসিং সঠিক নয়। তিনি স্বীকার করেন যে, সীমান্ত সংকট সকলেরই সৃষ্ট সমস্যা।

শেয়ার করুন