০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ০৫:৫৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমরা দায়িত্ব পেলে পাঁচ বছরে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে - ডা. শফিকুর রহমান বাবার জন্য ভোট চাইলেন জাইমা রয়টার্সকে তারেক রহমান- জাতীয় সরকার নয় বিএনপি এককভাবেই সরকার গঠন করবে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বিএনপির ইশতেহার, মুক্তিযুদ্ধ-জুলাই চেতনায় দেশ গড়াসহ যুগোপযগী সহ নানা প্রতিশ্রুতি ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি


১৪ জন কংগ্রেসম্যানের চিঠি রাষ্ট্রের জন্য ভয়ঙ্কর বার্তা
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৮-২০২৩
১৪ জন কংগ্রেসম্যানের চিঠি রাষ্ট্রের জন্য ভয়ঙ্কর বার্তা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রব


জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশের সদস্যপদ স্থগিত রাখাসহ ৩ দফা দাবিতে- জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে দেয়া ১৪ কংগ্রেসম্যানের চিঠি মূলত, সরকারের ’অপশাসনের ফলশ্রুতি’ উল্লেখ করে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

এক বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, ১৪ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠিতে-

১. সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কথিত অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত জাতিসংঘের উচিত, মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশের সদস্যপদ অবিলম্বে স্থগিত করা। ২. অস্থায়ীভাবে বাংলাদেশের র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর যে কোনো সদস্যকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে মোতায়েন করা বন্ধ রাখতে হবে। ৩. জাতিসংঘ, বিশ্বজুড়ে নিরপেক্ষ সরকারগুলোর সমন্বয়ে বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে এবং পরিচালনায় অংশ নেবে। এতে ভোটারদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন, হয়রানি বা ভোটারদের উপর হামলা প্রতিরোধের জন্য ’শান্তিরক্ষা বাহিনী’ গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করবে। 

১৪ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যান কর্তৃক এই তিনটি দাবি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে উত্থাপিত হওয়ার মাধ্যমে এক দিকে ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকারের অগণতান্ত্রিক শাসনের বৈশিষ্ট্য সনাক্ত হয়েছে অন্যদিকে গণতান্ত্রিক ও শাসনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা পুনর্বহাল না হলে যে, রাষ্ট্র অনিবার্য বিপর্যয়ের মুখে পড়বে সে ভয়ঙ্কর বার্তা প্রদান করেছে।

রাষ্ট্রের এই সংকট একদিনে সূচনা হয়নি বা নাটকীয়ভাবেও হয়নি। দীর্ঘদিন যাবৎ সরকার গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করে কর্তৃত্ববাদী হওয়াটাকে সম্মানজনক মনে করেছে। ফলে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী অগণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বৈধতার সংকট এবং গণতন্ত্রকে অনুপস্থিত করার কারণে আজকে বৈশ্বিক পরীমন্ডলে বাংলাদেশকে নিয়ে এই ধরনের এজেন্ডা তৈরির সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারের অপশাসনে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সুনাম এবং মর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে। এসব কার্যাবলী রাষ্ট্রের মর্যাদাকে তলানিতে নিয়ে গেছে। রাষ্ট্রের ভয়ংকর সংকট আসন্ন। সরকারের অতিমাত্রায় ক্ষমতার লোভ, রাষ্ট্রের ভয়াবহ সংকট উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এই সরকারের অগণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতি অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্র উঁচু মাত্রার ঝুঁকিতে পড়বে।

সুতরাং ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে, সংকটের নিরসন ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পুনরুদ্ধার করা অনিবার্য হয়ে পড়েছে।

শেয়ার করুন