১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০২:৪৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিলেন মা সাবরিনা রহমান
মোহাম্মদ ইসলাম
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০১-২০২৪
ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিলেন মা সাবরিনা রহমান স্বামী ও সন্তানের সাথে সাবরিনা


যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ছেলের জীবন বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন এক বাংলাদেশি মা। টেক্সাসের অস্টিনে বন্দুক হামলায় সাবরিনা রহমান নামে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ২৪ বছর বয়সী এক তরুণী দুর্বৃত্তের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে সাউথ অস্টিনে সেডুইন রাইফে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, দেড় বছরের ছেল ইব্রাহিমকে নিয়ে স্টলারে নিয়ে রাস্তায় হাঁটার সময় বন্দুক হামলার শিকার হন মা সাবরিনা রহমান।

এ ঘটনার পর পরই সেইন জেমস নামে হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে স্ত্রীর মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন তার স্বামী ইশরাক ইসলাম। মা ছাড়া ছেলেটি কীভাবে বড় হবে, ভাবতেই পারছেন না তিনি। ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি শঙ্কিত। ইশরাক জানিয়েছেন, রাস্তায় হাঁটার সময় সাবরিনা দেখতে পান, ইমানুয়েল কোপা নামে এক ব্যক্তির উপর গুলি চালাচ্ছেন সেইন জেমস। সেদিন কোপারও মৃত্যু হয়। পুরো ঘটনা দেখে সাবরিনা চিৎকার দেয়। তারপর ছেলের স্টলারের দিকে এগিয়ে আসে হামলাকারী। ছেলেকে একটি গাড়ির পেছনে আড়াল করায় সাবরিনার মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায় হামলাকারী। নিজের জীবনের বিনিময়ে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে স্ত্রীর মৃত্যুর কারণে স্ত্রীকে বীর বলে সম্বোধন করেন ইশরাক।

সাবরিনার চাচা জানিয়েছেন, গত বছরই স্বামীর সাথে কানাডা ছেড়ে আমেরিকায় স্থায়ী হন সাবরিনা। ঘটনার মাত্র দুদিন আগে ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওঠেছিলেন তারা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।

এদিকে সেইন জেমস নামে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওইদিন টেক্সাসের বিভিন্ন এলাকায় সেইন জেমসের হামলায় সাবরিনা ও কোপাসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়। এসব হামলায় আহত হন আরও অন্তত তিন জন। সেদিন শুরুতে গুলি করে জেমস নিজের বাবা মাকেও হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।

শেয়ার করুন