২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ০৯:৩৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


মেগা প্রকল্পগুলো বিরোধী দলগুলোর মেগা আতংক (?)
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-০৫-২০২২
মেগা প্রকল্পগুলো বিরোধী দলগুলোর মেগা আতংক (?)


বাংলাদেশের প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রতিদিন দেখছি , শুনছি মেগা প্রকল্পগুলো নিয়ে বাহাস।  নানা আতঙ্কের কথা শুনা যাচ্ছে অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির মুখপাত্রদের মুখে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও একটু বেশিই বলছেন পদ্মা সেতু নিয়ে। বিশ্বজোড়া ঘনায়মান সংকটের প্রেক্ষাপটে সকল পক্ষকে সংযত আচরণের প্রয়োজন আছে। রাজনীতির খাতিরে রাজনীতি করতে যেয়ে শিষ্টাচার বহির্ভুত কথা বার্তা বলা শোভনীয় নয়।

বাংলাদেশের কয়েকটি মেগা প্রকল্প দেশের কল্যানে দীর্ঘস্থায়ী শুভ প্রভাব আনবে আমার নিবিড় অনুসন্ধানের ভিত্তিতে নিশ্চয়তা দিতে পারি। পদ্মা বহুমুখী সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে না জেনে, অনেকে অনেক আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন। হয়তো ভ্রান্ত কৌশল এবং দুর্বল বাস্তবায়ন দক্ষতার কারণে প্রকল্প খরচ বাড়ছে কিন্তু পদ্মা সেতু দক্ষিণ বাংলাদেশকে অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

আলোকিত হয়ে উঠবে দক্ষিণ বাংলার আধার ঘরের আংগিনা। আমি ব্যাক্তিগতভাবে সেতুটিতে রেল সংযোগ শেষ হওয়ার পরেই চালু করার পক্ষপাতী। জানিনা নির্মাণকারী ঠিকাদারকে লিকুইডেটেড ড্যামেজ থেকে অব্যাহতি দিতে ২০২২ জুন মাসে সেতুতে সড়ক বাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে কিনা?

আশা করি এই কারণে রেল সংযোগের অবশিষ্ট কাজ শেষ করায় কারিগরি সমস্যা হবে না। হলে সেটি সবার জন্যই বিব্রতকর হবে। সমালোচনা কারীরা স্মরণে রাখবেন সেতু মংলা,পায়রা সেতু , বেনাপোল, ভোমরা সীমান্ত স্টেশনগুলো সারা দেশের রেল এবং সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনবে। বাংলাদেশের শস্য ভান্ডার সারা দেশের সরাসরি যোগাযোগে আসবে। দক্ষিণ বঙ্গে গ্যাস সরবরাহ হবে, উত্তর দক্ষিণ বঙ্গের বিদ্যুৎ সরবরাহ সুসমন্বিত হবে।  দক্ষিণ বঙ্গের কাঁচামাল,সুলভ শ্রম ব্যাবহার করে ব্যাপক শিল্পায়ন হবে। যাতায়াত ভোগান্তির অবসানের কথা নাই বা বললাম।  

অনেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নিয়ে জেনে না জেনে প্রশ্ন তুলছেন। বাংলাদেশের প্রমাণিত বন্ধু দেশ রাশিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় সর্বাধুনিক ভিভিআর ১২০০ প্রযুক্তি নির্ভর থার্ড জেনারেশন প্লাস ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন সুলভ মূল্যে (২৪ী ৭ ী ৩৬৫) বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে। একটি বিশাল প্রশিক্ষিত  নিজস্ব জনবল গড়ে উঠছে। তিন স্তরের কারিগরি নিরাপত্তা আমি সরেজমিনে দেখে নিশ্চিত হয়েছি। ১৪ বিলিয়ন বিনিয়োগের কথা বলে ভয়  দেখানো এখানে অর্থহীন। 

হয়তো প্রকল্প গুলো চালু হলে দায়িত্বহীন বিরোধী রাজনীতি অস্তিত্বহীন হয়ে পড়বে বলেই অস্তির হয়ে গাছে বিএনপি সহ কিছু ভুঁইফোড় বিরোধী দল। ওদের কাছে মেগা প্রকল্পগুলো মেগা আতঙ্কে পরিণত হয়েছে।


শেয়ার করুন