১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৫:০৬:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


ইতিহাস কিন্তু কাউকে ক্ষমা করে না
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-০৮-২০২৪
ইতিহাস কিন্তু কাউকে ক্ষমা করে না


সবাই কম বেশি জানেন, কেন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়া দলের করুন পরিণতি হলো। কেন বঙ্গবন্ধুর কন্যার  নেতৃত্বের দল কিভাবে স্বৈরাচারী হয়ে উঠলো? বিস্তারিত বর্ণনার প্রয়োজন নেই। ছাত্র জনতার নেতৃত্বে গণবিস্ফোরণের মূল ঘোষণা ছিল বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা।  সকল মত এবং বিশ্বাসের শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান। তবে কেন বঙ্গবন্ধু জাদুঘর পুড়িয়ে দেয়া হলো। জাতির পিতার মৃত্যুদিবসে আগত অনুরাগীদের হেনস্তা করা হলো ?

শ্রদ্ধা জানাতে আসা কয়েকজনকে বিবস্ত্র করে লুঙ্গি ডান্স করানো হলো। একজন প্রবীণ মানুষকে কানে ধরে ওঠবস করানো হলো। বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে দেখেছে কিভাবে জাতির জনককে অপমান করা হচ্ছে। মহান স্বাধীনতাকে স্বাধীনতার স্মৃতিগুলোকে ধ্বংস করা হচ্ছে? এগুলো কিছুই কিন্তু বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কেন বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত দিবসে শান্তিপূর্ণ ভাবে শোক পালনের সুযোগ দেয়া হলো না?

অবাক লাগে অন্তর্বর্তী কালীন সরকার বা সেনাবাহিনী কেন বিশেষ গোষ্ঠীকে নিবারণ করছে না। তাহলে পতিত সরকার এবং ছাত্র জনতার পার্থক্য কোথায় ? আমি অধম হলে তুমি কেন উত্তম হবে না। সবাইকে মনে রাখতে হবে চিরদিন কারো সমান যায় না। হানিমুন সময় শেষ হবে। সড়কে আন্দোলন এবং দেশ পরিচালনা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ।

ইদানিং দেখছি প্রতিটি সংস্থায় বর্ণ চোরা গোষ্ঠী সাধু সেজে সংস্কার মিশনে নেমেছে। সরকারকে তাড়াহুড়ো না করে সবার অতীত বিবেচনায় নিয়ে পরিবর্তন করতে হবে। আশা করি বড় ধরণের সংকট সৃষ্টির  আগেই সরকার পরিস্থিতি সামাল  দিবে। দেশটি কিন্তু যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতা কারো দয়ার দান নয়। আর প্রাণের এ দেশটাকে সেভ করার জন্য বাংলাদেশের প্রতিটা স্থান ও দেশের বাইরে যে যেখানে রয়েছেন সবাই যে যার সাধ্য মতে লড়াই করে আসছেন। ফলে এসব ভুলে গেলে চলবে না।  ইতিহাস কিন্তু কাউকে ক্ষমা করে না।

শেয়ার করুন