১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১:১৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই: তারেক রহমান
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৭-১১-২০২৪
দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই: তারেক রহমান তারেক রহমান


শহীদ ডাঃ মিলন দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ৫ই আগষ্ট ছাত্রজনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে নতুনভাবে স্বাধীনতা পেলেও এখনও আমাদের দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই। তিনি আহ্বান জানান, দেশের সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে এসব ষড়যন্ত্র চক্রান্ত টিকবে না। গত ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেয়া বাণীতে বলেন- 

“শহীদ ডাঃ মিলন দিবস উপলক্ষে আমি ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের এক অকুতোভয় সৈনিক শহীদ ডাঃ শামসুল আলম মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নির্ভিক শহীদ ডাঃ মিলন এর আত্মদানে হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়। তাঁর আত্মদানের মধ্য দিয়ে নয় বছরের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রাম চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে ধাবিত হয়। স্বৈরাচারকে উৎখাত করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিলো তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার। বুকের রক্তের বিনিময়ে তিনি গণতন্ত্রকে বিজয়ী করেছিলেন। যে পথ বেয়ে দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পূণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়।

পতিত আওয়ামী সরকারের বিগত ১৬ বছরের দূর্বিষহ শাসনামলে মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। দেশের মানুষ তাদের সকল অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল। জনগণের কাছ থেকে দেশের মালিকানা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা নতুনভাবে স্বাধীনতা পেলেও এখনও আমাদের দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই। তবে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না। শহীদ ডাঃ মিলনের আত্মত্যাগ সবসময় আমাদেরকে প্রেরণা জোগাবে।

আজকের এই দিনে আমি ডাঃ মিলনসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। 

শেয়ার করুন