২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০৯:৩৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


ফারাক্কা বাঁধ সবচেয়ে ক্ষতি করছে ভারতকেই- রিজভী
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-০৫-২০২৬
ফারাক্কা বাঁধ সবচেয়ে ক্ষতি করছে ভারতকেই- রিজভী


ফারাক্কা ব্যারাজের নেতিবাচক প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতেও পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।


শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।



রিজভী বলেন, ‘ফারাক্কা ব্যারাজের বিরূপ প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতেও পড়ছে। সে দেশের অনেক রাজনীতিবিদ ব্যারাজ ভেঙে দেয়ারও দাবি তুলেছেন।’


সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, পানি ও পরিবেশ সমস্যার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতার বিষয়টিও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।



পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিচ্ছেন অভিযোগ করে তিনি বেলন, ‘প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করব না, তবে দাসত্বের শৃঙ্খলেও আটকে থাকব না।’


বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশের পানি সমস্যা সমাধানে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চুক্তি নবায়নের মাধ্যমে পানিবণ্টন সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।


পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলেন, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণে সরকারের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে দেশের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে এর সুফল পুরোপুরি পেতে ২০ থেকে ৩০ বছর সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।


গঙ্গা চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার স্বল্পমেয়াদি নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী চুক্তি হওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গেও কার্যকর যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।


ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে একতরফাভাবে গঙ্গার পানি প্রত্যাহার করায় বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পরিবেশ ও কৃষিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। এর প্রতিবাদে পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন হয়ে আসছে।


গঙ্গার পানির ন্যায্য বণ্টনের দাবিতে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের পানির অধিকার আদায়ে সেই কর্মসূচি এখনও গুরুত্বপূর্ণ ও অনুপ্রেরণাদায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। 

শেয়ার করুন