৩১ জানুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ৬:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ঘিরে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চিয়তা ‘উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিনঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের মধ্যেই রয়েছে’ এনসিপির ৩৬ দফার ইশতেহার, কী আছে তাতে? ১২ ফেব্রুয়ারী ধানের শীষের পাশাপাশি হ্যা ভোট দেয়ারও আহ্বান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচার সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দণ্ডনীয় অপরাধ- ইসি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে- জাহাঙ্গীর তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আসন্ন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান নিরাপদ কর্মপরিবেশের দায়িত্ব নিয়োগকর্তারই `খুব ঠান্ডা শীত এলে এখনো পিঠে ব্যথা হয়, কারাগারে নির্যাতনের ফল'


নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই জামায়াত ক্ষমতায় আসবে : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৮-০১-২০২৬
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই জামায়াত ক্ষমতায় আসবে : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা হর্ষবর্ধন শ্রিংলা


বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনে অনিয়ম হলেই কেবল জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ভারতের সাবেক হাইকমিশনার ও বর্তমান রাজ্যসভার সদস্য হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। তার দাবি, সুষ্ঠু নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো জিততে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।

গত ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, ‘নির্বাচনে যদি অনিয়ম এবং কারচুপি করা হয়, তবেই তারা (জামায়াতে ইসলামী) ক্ষমতায় আসতে পারে। না হলে সম্ভাবনা কম। তাদের ভোটের হার পাঁচ থেকে সাত শতাংশ, সেটাও আবার অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির সহায়তায়।’

বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সাবেক সচিব বলেন, ‘ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতি আপনারা দেখেছেন। আমরা বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চাই, যেখানে সব দল অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে তেমন পরিস্থিতি আমি দেখিনি। নির্বাচন হবে কিনা, সেটিও জানি না। সেখানে নিরাপত্তার উদ্বেগ রয়েছে। আর নির্বাচন হলেও কী পরিস্থিতিতে হবে, সেটিও দেখতে হবে। অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে, প্রশ্ন রয়েছে।’

বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে লোকজন এখানে আসছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থে তাদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এই অনুপ্রবেশকারীরা একটি সমস্যা এবং এই চর্চা বন্ধ করতে হবে। আমরা চাই বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ) উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাক।’

শেয়ার করুন