৩১ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৭:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


বাপার অনুষ্ঠানে মেয়র এডামস
নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়নে বাংলাদেশিদের ভূমিকা প্রশংসনীয়
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-১১-২০২২
নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়নে বাংলাদেশিদের ভূমিকা প্রশংসনীয় বাপার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন মেয়র এরিক অ্যাডামস


নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেছেন, আমেরিকা হচ্ছে এমন একটি দেশ যেখানে বসতি গড়তে হলে মাতৃভূমির মায়া-মমতা ত্যাগের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ এ দেশটিকে নিজের মনে করতে পারলে প্রিয় মাতৃভূমিকে এখানেই নিয়ে আসা যায়। আমেরিকার মহাত্ম এভাবেই মহিমান্বিত হচ্ছে বহুজাতিক সমাজে নিজ নিজ সংস্কৃতির ধারা প্রবাহিত রাখার মধ্য দিয়ে। নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়নে বাংলাদেশীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

নিউইয়র্ক পুলিশে কর্মরত বাংলাদেশী-আমেরিকানদের সংগঠন ‘বাপা’র ষষ্ঠ বার্ষিক অ্যাওয়ার্ড ডিনার’ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা তিনি এসব কথা বলেন। ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটস সংলগ্ন একটি পার্টি হলে এই অনুষ্ঠান হয়।

পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত বাংলাদেশী অফিসারদের প্রশংসাকালে মেয়র বলেন, আপনারা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন বলেই এই সিটির জনজীবনকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হচ্ছে। একইসাথে নিজ কম্যুনিটির সকলের প্রতি যাদে ভিন্ন কম্যুনিটির লোকজনের শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আর এভাবেই সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন সুসংহত হলে বিশ্বের রাজধানী খ্যাত এই সিটির ইমেজ আরো উজ্জ্বল হবে। সিটি মেয়র বলেন, নিজের ভাষা, সংস্কৃতিকে কখনো ছোট ভাববেন না। তাহলে অনেক সমস্যার সহজ সমাধান হয়ে যায়। বিশেষ করে এদেশে বেড়ে উঠা অথবা জন্মগ্রহণকারি প্রজন্মও গৌরববোধ করবে তার মা-বাবার সমাজ নিয়ে। নিউইয়র্ক সিটিতে বহু ভাষা, বহুবর্ণ আর বহু জাতির মানুষ বাস করছে। সবকিছু মাড়িয়ে আমি খুব সহজেই বাংলাদেশী-আমেরিকানদের দেখতে পাই তাঁদের কর্মনিষ্ঠা আর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হিসেবে। 

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম বলেন, গৌরবে আমার বুকটা ভরে যায়, যখন এই সিটির নানা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে থেকে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের সদস্যগণের ব্যাপারে ইতিবাচক মন্তব্য শুনি। 

প্রবাসের জনপ্রিয় দুই কণ্ঠশিল্পী রাজিব ও তৃণিয়া হাসানের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের পর বাপার (বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন) এই বর্ণাঢ্য ডিনারের সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও অ্যাওয়ার্ড বিতরণ পর্ব শুরু হয় সংগঠনের সভাপতি ক্যাপ্টেন করম চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে। বাপার বোর্ড অব ট্রাস্টির সকলকে মঞ্চে ডেকে পরিচিতি পর্বের পর সমাপনী ভাষণ দেন বাপার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এরশাদুর সিদ্দিক। 

অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন কুইন্স ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এ্যাট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী, সিটি মেয়রের (এশিয়ান বিষয়ক) উপদেষ্টা ফাহাদ সোলায়মান, কম্যুনিটি লিডার গিয়াস আহমেদ, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর নুরুল আজিম, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, ইউনাইটেড টেকনোলজি কোম্পানী ‘প্র্যাট এ্যান্ড  হুইটনি’র সহযোগী পরিচালক মোহাম্মদ ইসলাম, এটর্নী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, কাজী আজম, মাকসস্তুল হক চৌধুরী, ফিরোজ আলম প্রমুখ। 

আগত অতিথিগণকে স্বাগত জানাতে ব্যস্ত ছিলেন বাপার মিডিয়া লিঁয়াজো জামিল সরোয়ার, কম্যুনিটি লিঁয়াজো মাহবুবুর জুয়েলসহ কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন