০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০২:৪৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


খালেদা জিয়াকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৫-২০২৪
খালেদা জিয়াকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি


খালেদা জিয়াকে বুধবার দিনগত রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হলো।

তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন এদিন রাত সাড়ে ৯টায় গণমাধ্যমকে  বলেন, ‘‘ কিছু জরুরী পরীক্ষার জন্য ম্যাডামকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে উনাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে(সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। এখন উনার কিছু জরুরী পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। রাতেই মেডিকেল বোর্ড বসে চিকিৎসার পরবর্তি বিষয়গুলো ঠিক করবেন।”

গুলশানের বাস ‘ফিরোজা’ থেকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

 

সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসকরা তাকে সিসিইউতে রেখে দুইদিন চিকিতসা দেন। এরপর তাকে বাসায় চিকিৎসকদের নিবিড পর্যএবক্ষনে হাসপাতালের ছাড়পত্র দেয়া হয়।

সন্ধ্যায় হাসপাতালে নেওয়ার পরই তার বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড তাকে দেখার পর হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গেছে।

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া এবং দেশের বাইরে না যাওয়ার শর্তে ২০২০ সালের মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর সেই সাময়িক মুক্তির মেয়াদ প্রতি ছয় মাস পরপর বাড়ানো হলেও তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার।

শেয়ার করুন