০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৮:৩৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায়
মুক্তিযোদ্ধা সুরঞ্জন দাশের মৃত্যু
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-০৮-২০২২
মুক্তিযোদ্ধা সুরঞ্জন দাশের মৃত্যু


হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কৃতীসন্তান, দৈনিক মাতৃভূমি পত্রিকার সাবেক প্রকাশক ও নবীগঞ্জ কীর্তি নারায়ণ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) সুরঞ্জন দাশ (৮২) ও তার স্ত্রী সুপর্ণা দাশ (৭০) কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট সকালে কানাডার ভ্যানকুভারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেজর (অব.) সুরঞ্জন দাশের আত্মীয় নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নির্মলেন্দু দাশ রানা। তিনি আরো জানান, তাদের মরদেহ দেশে আনা হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সুরঞ্জন দাশ নবীগঞ্জ উপজেলার গুমগুমিয়া গ্রামের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সময় তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পরে তিনি ভারতের মেঘালয়ে অবস্থিত ইকো-ওয়ান প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিতে সীমান্ত অতিক্রম করে ৫ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন।

এ কারণে পাকিস্তানি সেনারা তার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে সবকিছু জ্বালিয়ে দেয় এবং তার ভাই ও বৃদ্ধ খালুসহ অনেক আত্মীয়স্বজনকে হত্যা করে। যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হলে সুরঞ্জন দাশ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। সেখানে কিছুদিন চাকরির পর অবসর গ্রহণ করেন।

সুরঞ্জন দাশ ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক মাতৃভূমি পত্রিকার প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি নিজ এলাকায় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে তিনি কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকে নিজ এলাকায় কলেজ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশ নিতেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে কানাডায় চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন।


শেয়ার করুন