০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ৬:৪৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


আদালতের রায়ের তিন মাস পরও গর্ভপাতের আইনগত মর্যাদা নিয়ে অনিশ্চয়তা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৯-২০২২
আদালতের রায়ের তিন মাস পরও গর্ভপাতের আইনগত মর্যাদা নিয়ে অনিশ্চয়তা


জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকারটি অবসানের পক্ষে দেয়া সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলশ্রুতিতে অনেক আমেরিকানই এই দ্বিধায় রয়েছেন, আমার অঙ্গরাজ্যে কি গর্ভপাত আইনসম্মত? দেশটির অনেক এলাকাতেই এই প্রশ্নের উত্তর অনেক ক্ষেত্রেই পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। রো বনাম ওয়েইড রায়টি উল্টে দেয়ার মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট ৫০টি অঙ্গরাজ্যের প্রত্যেকের ওপর তাদের অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাতের অনুমতি দেয়া হবে কি না, এই বিষয়টি ন্যস্ত করেছে। ১৯৭৩ সালের রো বনাম ওয়েইড মামলার রায়টি গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। ফলশ্রুতিতে রাজ্য আইন ও নীতির সমন্বয়ে এক ক্রমপরিবর্তনশীল মিশ্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

একদিকে ডেমোক্রেট নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্যগুলো গর্ভপাতের সুযোগের পক্ষে সুরক্ষা জোরদার করতে দ্রুত এগিয়ে এসেছে। অপরদিকে অনেক রক্ষণশীল প্রবণতার অঙ্গরাজ্যগুলো উল্টোদিকের পথ ধরেছে। তারা গর্ভপাতের পদ্ধতিকে নিষিদ্ধ বা ব্যাপকভাবে সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করছে। আরো কিছু অঙ্গরাজ্য গর্ভপাত নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। যদিও গর্ভপাত সেবাদানকারীরা এমন বিধিনিষেধকে চ্যালেঞ্জ করছেন। গর্ভপাতের সুযোগের বিষয়টি এতোটাই ঘোলাটে হয়ে গিয়েছে যে, যেসব জায়গায় সেটি বৈধও, সেখানেও মানুষজন রাজ্যের বাইরে সেবাটি নেয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এপ্সটিন বেকার গ্রিন ল’ ফার্মের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক আইনজীবী, আলাপ শাহ বলেন, ‘এটি আমাদের দেশকে একটি অনিশ্চিত ও বিশৃঙ্খল অবস্থায় পতিত করেছে। আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও সেসব অঙ্গরাজ্যের নাগরিকদের সেটি কীভাবে প্রভাবিত করবে, সেটি দেখা এখনো আমাদের বাকি রয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।’

শেয়ার করুন