১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০:৪০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


ঢাকার পানে কড়া দৃষ্টি ওয়াশিংটনের
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৫-১০-২০২৩
ঢাকার পানে কড়া দৃষ্টি ওয়াশিংটনের


বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে কড়া দৃষ্টি রাখছে ওয়াশিংটন। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাশা করেছে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ আয়োজনে কোনো বাধা না দেয়া হয়।  

গত সোমবার (২৩/১০/২৩) স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকার উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাদের সহিংসতার হুমকি প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া এভাবেই ব্যক্ত করেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

বিরোধীদল বিএনপির ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকারের চলমান ধরপাকড় এবং বাধাপ্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করে এক প্রশ্নের জবাবে ম্যাথু মিলার বলেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়টি আমি উল্লেখ না করে আমি যা বলতে চাই, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে যা কিছু ঘটছে তা আমরা গভীর নজর  রাখছি। অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষই যেনো শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে পারে, সে সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এখানে যারা সংশ্লিষ্ট যেমন- সরকারের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী, রাজনৈতিক দলসমূহ, নির্বাচন কমিশন, মিডিয়া এবং ভোটাররা। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে  বলবো, তারা যেনো আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং সহিংসতা, হয়রানি এবং ভীতিপ্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকে।” বাংলাদেশে অবস্থিত কূটনৈতিক মিশনগুলো সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভিয়েনা নীতি অনুসারে বাংলাদেশ বিদেশি মিশনগুলো এবং তার কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে বাধ্য। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়। আমরা আশা করবো যুক্তরাষ্ট্রসহ সকল দূতাবাস এবং সেগুলোর কর্মকর্তাদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকার সবধরনের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।”

শেয়ার করুন