২২ জুলাই ২০১২, সোমবার, ০৭:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন


জ্যাকসন হাইটসসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলো ঈদের রঙে রঙিন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৯-০৬-২০২৪
জ্যাকসন হাইটসসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলো ঈদের রঙে রঙিন জ্যাকসন হাইটসে চাঁদরাতে কেনাকাটা


ঈদুল ফিতরে চাঁদরাত পালন করা হয়। সেই চাঁদরাতের উচ্ছ্বাস এবং আনন্দ থাকে একটু বেশিই। এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই কাক্সিক্ষত দিনটি আসে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, ব্রঙ্কসসহ অন্যান্য এলাকায় ঘটা করে উদযাপন করা হয় চাঁদরাত। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান এবং উচ্ছ্বাস হয় জ্যাকসন হাইটসে। কিন্তু ঈদুল আজহাতেও বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে চলে মেহেদি লাগানো এবং ফুটপাতে কেনাকাটা। সেই এক ভিন্ন দৃশ্য। বাংলাদেশে কাউকে বললে হয়তো বিশ্বাস করবে না, কিন্তু প্রবাসী বাংলাদেশিরা এর জ্বলন্ত সাক্ষী। জ্যাকসন হাইটসের দোকানদার মোহাম্মদ আলমগীর দিনের বেলায় বলছিল এবার মানুষজন কোথায়? কিন্তু সন্ধ্যা হতে না হতেই জ্যাকসন হাইটসের রূপ এবং রং পরিবর্তন হয়ে যায়।

সন্ধ্যার পর মেহেদি লাগানোর পর্ব শুরু হলেও মূলত সকাল থেকে জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন স্ট্রিট, বিশেষ করে বাংলাদেশ স্ট্রিট, ৭৪ স্ট্রিট, ডাইভারসিটি প্লাজা এবং ৩৭ অ্যাভিনিউ অস্থায়ী ভেন্ডারদের দখলে চলে যায়। বিশেষ করে প্রবাসে জন্ম নেওয়া এবং বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাই মেহেদি লাগানোর টেবিল নিয়ে বসে পড়েন। সেই সঙ্গে কাপড় বিক্রির স্টল তো রয়েছেই। যুৎসই স্পট পেতে অনেকেই সকালে চলে আসেন। আবার কেউ-বা তাদের চেয়ার-টেবিল রেখে যান। সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা এবং ব্রঙ্কসে ঈদের রাতে গান-বাজনা না থাকলেও মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মেহেদি লাগানোর পাশাপাশি চলে ফুটপাতে জামা-কাপড়, জুতা বিক্রি। আরো ছিল ফুসকা, চা এবং ঝালমুড়ি বিক্রি। খিলিপান তো ছিলই। নতুন প্রজন্ম হাতে মনের আনন্দে মেহেদি লাগিয়েছেন, কেউ কেউ পছন্দের পোশাক ক্রয় করেছেন, আবার অনেকেই চুটিয়ে আড্ডা মেরেছেন। বাঙালির মেহেদির রঙে যেন রঙিন হয়ে ওঠে জ্যাকসন হাইটসসহ অন্যান্য বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা।

কোথাও তিল ধরার ঠাঁই ছিল না। জ্যাকসন হাইটসের ৭৩, ৭৪টি এবং ৩৭ অ্যাভিনিউ লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। এ উন্মাদনা চলে ভোররাত পর্যন্ত। একই অবস্থা ছিল বাংলাদেশি অধ্যুষিত ব্রঙ্কস এবং জ্যামাইকাতেও।

শেয়ার করুন