০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৭:১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


ইমিগ্রেশন নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীর
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৭-১১-২০২৪
ইমিগ্রেশন নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী


যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী। সেই সঙ্গে ভয়কে জয় করার কথা বলেছেন তিনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার নির্বাচিত হওয়ার পর অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, যাদের কেস পেন্ডিং রয়েছে বা কোনো কোনো প্রোগ্রামে রয়েছেন, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ এখনো অগের আইন রয়েছে। কোনো আইনের পরিবর্তন হয়নি। নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধদের বহিষ্কারে হুঙ্কার দিচ্ছেন। যারা কোনো না কোনো প্রসেসে রয়েছেন, তাদের এ হুঙ্কারে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। ভয়কে আমাদের জয় করতে হবে। গত ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে ইমিগ্র্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল ইনক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে ছিলেন আমিন মেহেদি, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দীন ও তরিকুল ইসলাম মিঠু।

তিনি আরো বলেন, যাদের বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন রয়েছে, তাদের গ্রেফতার করে ফেরত পাঠাতে পারে। তা বর্তমান আইনেও বিদ্যমান। কোনো বড় ধরনের অপরাধে সাজা না হলে গ্রিনকার্ডও বাতিল হওয়ার ভয় নেই। তাই কমিউনিটির মধ্যে অহেতুক ভীতি ছড়ানো হচ্ছে। ভয়কে জয় করে ইমিগ্র্যান্টদের এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, জন্ম নিলে আর নাগরিকত্ব নয়-এমন আইন এখনো পাস হয়নি। আমেরিকার মাটিতে জন্ম নিলে নাগরিক তা সংবিধানের ১৪তম এমেন্ডমেন্টের অধিকার। ট্রাম চাইলেই তা বাতিল করতে পারেন না। কংগ্রেসে দুই তৃতীয়াংশের ভোটে তা পাস হতে হবে। বিষয়টি এতো সহজ নয়। মঈন চৌধুরী বলেন, আতঙ্কিত হবেন না। কোনো প্রশ্ন থাকলে ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নিদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। যে কোনো ধরনের সহায়তায় আপনাদের পাশে দাঁড়াবেন অ্যাটর্নিরা।

শেয়ার করুন