৩১ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ১১:১৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদক প্রতিরোধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি কার্যকর
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৭-২০২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদক প্রতিরোধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি কার্যকর ফেন্টানিল


যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমবর্ধমান ফেন্টানিল সংকট মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফেন্টানিল এবং অন্যান্য অবৈধ মাদকের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে, যার আওতায় অবৈধ মাদক বাণিজ্যে জড়িত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগীরাও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এই নতুন নীতি ইমিগ্রেশন ও ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট-এর ধারা ২১২(এ)(৩)(সি) অনুসারে কার্যকর হবে এবং এক্সিকিউটিভ অর্ডার ১৪০৫৯ অনুযায়ী যারা বৈশ্বিক অবৈধ মাদক বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত, তাদের ঘনিষ্ঠদের ওপর প্রযোজ্য হবে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মাদক পাচারকারীদের পাশাপাশি তাদের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক অংশীদারদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা শুধু তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেবে না, বরং এটি তাদের অবৈধ কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা দেবে। যুক্তরাষ্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী আমেরিকানদের মৃত্যুর প্রধান কারণ বর্তমানে ওভারডোজ। ২০২৪ সালে প্রতিদিন গড়ে ২২০ জনের বেশি মানুষ ওভারডোজে প্রাণ হারিয়েছেন। জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৪০ শতাংশ আমেরিকান অন্তত একজনকে চেনেন, যিনি মাদক ওভারডোজে মারা গেছেন। এই পদক্ষেপ মার্কিন সরকারের মাদকবিরোধী প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত, যা শুধু অপরাধীদের নয়, তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ককেও বিচ্ছিন্ন করার একটি চেষ্টার প্রতিফলন। তবে এই নিষেধাজ্ঞা নীতির প্রয়োগের ফলে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও কিছু বিশ্লেষকের মত।

পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল ও অন্যান্য অবৈধ মাদক প্রবেশ বন্ধ করতে আমরা আমাদের হাতে থাকা সব ধরনের কূটনৈতিক ও আইনি উপায় ব্যবহার করবো।

নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতিটি মূলত ফেন্টানিল ও অন্যান্য অবৈধ মাদকের আন্তর্জাতিক পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রণয়ন করা হয়েছে। এই নীতির আওতায় শুধু মাদক ব্যবসায়ী নয়, তাদের পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত বন্ধু এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদেরও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। এটি মাদক ব্যবহারে অভ্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নয়, বরং যারা মাদকের অবৈধ বাণিজ্যের মাধ্যমে এই সংকটকে উসকে দিচ্ছে, তাদের দমন করাই এই নীতির মূল উদ্দেশ্য। যুক্তরাষ্ট্র সরকার মনে করে, এই নিষেধাজ্ঞা মাদক পাচারকারীদের জন্য একটি শক্ত বার্তা হয়ে দাঁড়াবে এবং তাদের অবৈধ কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে সহায়ক হবে।

শেয়ার করুন