০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৩:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


উবারের বিরুদ্ধে ৫৫০ নারীর যৌন নিপীড়ন মামলা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২১-০৭-২০২২
উবারের বিরুদ্ধে ৫৫০ নারীর যৌন নিপীড়ন মামলা


যৌন নিপীড়নের অভিযোগে রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম উবারের বিরুদ্ধে ৫৫০ নারী মামলা করেছেন। অপহরণ, যৌন হয়রানি, যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ এমন সব অভিযোগ আনা হয়েছে উবার চালকদের বিরুদ্ধে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো কাউন্টি সুপিরিয়র আদালতে গত ১৩ জুলাই এসব মামলা করা হয়। উবারের এক মুখপাত্র বলেন, যৌন নিপীড়ন ভয়ংকর একটি অপরাধ এবং আমরা প্রতিটি অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। নিরাপত্তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। সে কারণেই উবার নতুন নিরাপত্তা ফিচার চালু করেছে এবং গুরুতর ঘটনার বিষয়ে আরো স্বচ্ছ হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনি সহায়তা সংস্থা সেøটার শুলম্যানের দায়ের করা মামলায় বলা হয়, যৌন নিপীড়নের ঘটনা অনেক রাজ্যে ঘটেছে।

২০১৪ সালের প্রথম দিক থেকেই উবার চালকরা নারী যাত্রীদের যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ করছে। কিন্তু সংস্থাটি গ্রাহকের সুরক্ষার চেয়ে নিজেদের মুনাফা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে যৌন নিপীড়নের পাঁচটি গুরুতর অভিযোগসহ মোট ৩ হাজার ৮২৪টি অভিযোগ পেয়েছে। এ ছাড়া ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে যৌন হয়রানির ৫ হাজার ৯৮১টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিবিসি জানিয়েছে, মামলার নথিপত্র অনুযায়ী যৌন নিপীড়নের ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি অঙ্গ রাজ্যের।

এমন আরো দেড়শ ঘটনা এখনো তদন্ত করে দেখার কথা জানিয়েছে ভুক্তভোগী নারীদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। মামলার অভিযোগ, ২০১৪ সালেও উবার জানতো যে, কোম্পানিতে নিবন্ধিত চালকরা নারীযাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু কোম্পানিটি সে সময় যাত্রীর নিরাপত্তার চেয়ে ব্যবসাকেই অধিক গুরুত্ব দিয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। বিবিসি বলেছে, সাড়ে পাঁচশ নারী যে অভিযোগগুলো এনেছেন তার বেশিরভাগই গুরুতর অভিযোগ। ভুক্তভোগীর সংখ্যাটিও চমকে যাওয়ার মতোই। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে কোম্পানির আন্তর্জাতিক ব্যবসায় কৌশল নিয়ে গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কোম্পানির নানা বেআইনি কর্মকাÐ। এ প্রতিবেদন মতে, শীর্ষ অবস্থানে যেতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুষ আর যোগসাজশের মতো অনৈতিক কৌশল অবলম্বন করে স্থানীয় ট্যাক্সিবাজার ধ্বংস করে দিয়েছে কোম্পানিটি।

 

শেয়ার করুন