২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০২:০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের স্বাস্থ্যবীমা ঝুঁকির মুখে কোভিড তহবিল প্রতারণা : ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের দোষ স্বীকার রমজান শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক


মুখ বন্ধ করে দেওয়া ভয়ঙ্কর তৎপরতা
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-০৭-২০২৪
মুখ বন্ধ করে দেওয়া ভয়ঙ্কর তৎপরতা


নিরাপত্তা আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যবহার-অপব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ এনেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। এর পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে যে, সাইবার নিরাপত্তা আইনও একইভাবে সাইবার মাধ্যম ব্যবহারকারীর জন্য হয়রানি, হুমকি, আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতাবোধ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এ আইনের যথেচ্ছ ব্যাবহারের মাধ্যমে মানুষের মতামত প্রকাশের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করা, ভয় দেখানো এবং সকলের মুখ বন্ধ করে দেওয়ার একটি ভয়ংকর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এর পক্ষ থেকে মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদন জুন ২০২৪ তুলে ধরতে গিয়ে একথা জানানো হয়। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।

এমএসএফ’র পক্ষ থেকে বলা হয় বিতর্কিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তথাকথিত সংশোধনী এনে সাইবার নিরাপত্তা আইনটি পাশ করা হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যবহার ও অপব্যবহার যেভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা হয়েছিল, সাইবার নিরাপত্তা আইনও একইভাবে সাইবার মাধ্যম ব্যবহারকারীর জন্য হয়রানি, হুমকি, আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতাবোধ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। মূলত: তথ্য নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে ভিন্নমত দমন ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের হাতিয়ার হিসেবে সাইবার নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করা হচ্ছে। 

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহিত তথ্য অনুযায়ী এ মাসে সাইবার নিরাপত্তা আইনে ৯টি মামলায় অভিযুক্ত ২০ জন ব্যক্তির মধ্যে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৪ জন হিন্দু ধর্মাম্বলী যুবক যাদেরকে ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া, ১ জন এনজিওকর্মীকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, ১ জন যুবককে ফেসবুকে অশ্লীল ছবি পোস্ট করার এবং ২ জন যুবককে দিনাজপুরে এসপির নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি, ৮টি মামলার মধ্যে ২টি মামলা হয়েছে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশ, মানহানি ও কটূক্তি করার অভিযোগে ৪ টি মামলা হয়েছে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া, ১টি মামলা হয়েছে হ্যাকিং সংক্রান্ত, ১টি মামলা হয়েছে ফেসবুকে অশ্লীল ছবি পোস্ট করার ও ১টি মামলা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে। উল্লেখ্য যে, ৪ জুন সিলেটে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে যেখানে অভিযুক্তদের সকলেই প্রবাসী ও বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত।

শেয়ার করুন