০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০১:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


সেলফোন-ল্যাপটপ পরীক্ষা করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারপোর্টে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৪-২০২৫
সেলফোন-ল্যাপটপ পরীক্ষা করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারপোর্টে


এয়ারপোর্ট, সীমান্ত এবং নৌ-পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের সেলফোন, ল্যাপটপসহ সব ধরনের ডিজিটাল সামগ্রী পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভিসাধারী, গ্রিনকার্ডধারীগণের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে কোন মতামত, অভিমত অথবা মন্তব্য দেখা গেলে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের নিষিদ্ধ তালিকার কোন সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে সম্পর্ক থাকলে, বা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশসমূহের বিরুদ্ধেও হিংসাত্মক কোন মতামত বা ছবি থাকলে কাস্টমস অ্যান্ড বোর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি) কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দিচ্ছেন না। 

ভিসাধারী, এমনকি গ্রিনকার্ডধারীকেও ফিরিয়ে দিচ্ছেন নিজ দেশে। গ্রিনকার্ডধারীরা টানা ১৮০ দিনের বেশি বিদেশে অবস্থানের পর যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় এয়ারপোর্ট, সীমান্ত ফাঁড়ি কিংবা সমুদ্র বন্দরে প্রচণ্ড রকমের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হচ্ছেন। সিবিপি জানতে চাচ্ছেন কেন তারা এতোদিন বিদেশে ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কেন তারা ফিরতে চাচ্ছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ট্যাক্স প্রদান করেছেন কিনা, বাড়ির মালিক কিনা অথবা কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে কিনা ইত্যাদি তথ্য ও ডকুমেন্ট। এমনকি কোন গ্রিনকার্ডধারী যদি ফেডারেল সরকারের মঞ্জুরির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন বলে জানতে পারে তাহলে তাকে আর ঢুকতে দিচ্ছে না। সোজা নিজ দেশে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। 

সাম্প্রতিক সপ্তাহে এয়ারপোর্ট, সীমান্ত থেকে বেশ কিছু বিদেশিকে নিজ দেশে ফিরিয়ে দেয়ার ঘটনায় এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে অভিবাসন সমাজে। ইমিগ্রেশনে অভিজ্ঞ এটর্নিরা তার গ্রিনকার্ডধারী ক্লায়েন্টদের পরামর্শ দিচ্ছেন পারতপক্ষে বিদেশে না যেতে। কারণ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন অভিবাসন-ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। 

এ অবস্থার কঠোর সমালোচনা করে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এধরনের আচরণে সিবিপি যুক্তরাষ্ট্র সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী লংঘন করছে। সেই সংশোধনী অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে তল্লাশী অথবা জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আদালতের অনুমতি লাগবে। এ ধরনের বক্তব্য খন্ডন করে সিবিপি অবশ্য গণমাধ্যমে বলেছে যে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তারা এসব করার এখতিয়ার রাখেন।

শেয়ার করুন