০৯ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ০১:৪৮:৫৩ পূর্বাহ্ন


তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির ইউটার্ন
মাসউদুর রহমান
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-০১-২০২৬
তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির ইউটার্ন বাসে করে সংবর্ধনায় যাওয়ার পথে তারেক রহমান


দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে কাটিয়ে তারেক রহমান দেশে ফেরায় বাংলাদেশের রাজনীতি ৯০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে গেছে। তারেক রহমান এমন এক মুহূর্তে দেশে ফিরেছেন, যখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরাজ করছিল এক ধরনের হতাশা। কে দেশের নেতৃত্ব দেবেন, হাল ধরবেন- সে শঙ্কায় জাতি দিশেহারা, ঠিক তখন দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। তার এ দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অভূতপূর্ব এক সাড়া ফেলে দিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর গণতন্ত্রহীনতায় হতাশাগ্রস্ত মানুষ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে গণতন্ত্রিক যাত্রার ট্রেন। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ১৬ বছরে ছিল স্বৈরাতন্ত্র। মুখে গণতন্ত্র, কর্মে স্বৈরাচারী ভূমিকায় মানুষ ছিল অতিষ্ঠ্য। দীর্ঘ ওই যাত্রা শেষে জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থান হয়ে প্রায় দেড়বছর ঘটনাবহুল অবস্থা পার করেছে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এরপরই তারেক রহমানের ওই আগমন। 

‘নেতা এসেছেন, তোমার অপেক্ষায়ই যেন সারা দেশ’- বিএনপির নেতাকর্মীদের এ শ্লোগান যেন গোটা বাংলাদেশের মানুষেরই শ্লোগানে রূপ নেয়- দলমত নির্বিশেষে। 

তারেকের আগমনের পূর্বে অনেক শঙ্কার পাশাপাশি ত্রয়োদশ নির্বাচন হবে কি না, এ নিয়ে ছিল টেনশন। এসব ধোঁয়াশা অনেকাংশেই কেটে গেছে। এ দেড় বছরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির শীর্ষনেতৃত্বশূন্য অবস্থায় দেশ নতুন এক রূপে আবির্ভূত হয়। জাতীয়তাবাদী পন্থী, আরেকটা পাকিস্তানী চিন্তা চেতনাধারী ইসলামপন্থী একাংশের নিয়ে আরেক পক্ষ। এক পক্ষ যারা নিখাদ বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল, অন্যগ্রুপেরও দাবি তারা বাংলাদেশপন্থী ও ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন পক্ষের। ইসলামপন্থী জোট দাবি করলেও দেশের বিশাল অংশের আলেম সমাজ ও দেশের শীর্ষস্থানীয় ইসলাম ধর্মের মুরব্বীগণ ওই দাবিটা চ্যালেঞ্জ করে ইসলামপন্থী দাবি করা পক্ষের অবস্থান নড়বড়ে করে দিয়েছে। 

সৎ লোকের শাসন, কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা, বেহেস্তের টিকেট বিক্রি, ওই দলে ভোট না দিলে জান্নাত লাভ সম্ভব নেইসহ নানা কথাবার্তায় মানুষের মধ্যে একধরনের বিরক্তি তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রমাণ সম্বলিত উদহরণ এদের কথাবার্তায় বে-মিলে মানুষ বিরক্ত। এদের কেউ কেউ প্রকাশ্যে বলছেন, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের কোনো দোষ ছিল না, যা ঘটেছে তা ভারত বাংলাদেশকে কব্জা করতেই করেছে। এমনকি ১৪ ডিসেম্বর যে শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড ও পাক বাহিনীর ক্রাকডাউন, সেটাও ভারত করেছিল বলে তাদের দাবি। বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে এমন প্রকাশ্যে দ্বিধা বিভক্তিতে সাধারণ মানুষ হয়ে যায় দিশেহারা। 

খালেদা জিয়ার অসুস্থতা 

এমন এক পরিস্থিতিতে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতাও ভীষণভাবে ভাবিয়ে তোলে। কেননা আওয়ামী লীগেরও কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তাহলে দেশ কাদের হাতে যাচ্ছে-এ প্রশ্ন সর্বত্র। উপরন্তু ইসলামপন্থীদের কেউ কেউ বলে বেড়াচ্ছেন, ভোটে জয়লাভ করে ৫৪ বছরের প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন। কিসের সে প্রতিশোধ তাদের এটা নিয়েও কানাঘুষা চলে বেশ। 

নেতৃত্বশূন্য ও ঘোলাটে অবস্থা 

৫ আগস্টের পট পরবির্তনের পর অনেকটাই নেতৃত্বশূন্য ঘোলাটে হয়ে যায় বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা শুধু নয়, গোটা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের সব নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবার পর ভরসা করার মত ছিল একটাই দল বিএনপি। কিন্তু দলটির চেয়ারপার্সন ভীষণ অসুস্থ। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সুদূর লন্ডনে। কে দেশের হাল ধরবে এমন এক পরিস্থিতিতে বিশাল এক শুণ্যতা দেখা দেয়। সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলে হাহাকার। শুধু বিএনপি বলেই নয়, দেশের আপামর সব মানুষের মধ্যেই ওই শুণ্যতা। দেশে বিরাজ করছিল মব সন্ত্রাস। অন্তর্বর্তি সরকার সূচনা থেকেই মাঠে আইনশৃংখলাবাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখে পরিস্থিতি সামালদানে। সেটা গত দেড় বছরেও মাঠ থেকে সরাননি। রয়েছে এখনও। এরই মধ্যে মব সন্ত্রাস। খুন, চাঁদাবাজি। এখন অনুমান করা যাচ্ছে সেনা সদস্যরা না থাকলে দেশের অবস্থা আরো ভয়াবহ হয়ে উঠতো। এর পাশাপাশি স্বাধীনতার বিরোধীতা যারা করেছিলেন তাদের উত্থান নেতৃত্ব শুণ্য অবস্থায়- এবং বাংলাদেশে কতৃত্বপ্রতিষ্ঠা ও সরকার গঠনের যে অভিলাশ ও বিভিন্নস্থানে আগামী নির্বাচনে জয় পেতে সম্ভব্য সকল কাজ করার যেসকল মহড়া, সেটাতে মানুষ শঙ্কিত হয়ে যায়। এরপর একের পর এক দাবি (জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, আলাদাভাবে গণভোট গ্রহণ, প্রয়োজনে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ইত্যাদি ইস্যু), নির্বাচন অনুষ্ঠান করার আগে তাদের সুবিধামত সেসব দাবি পূরণে, সম্মেলন, মহাসম্মেলন, মিছিল মিটিং করে উপদেষ্টা পরিষদকে বাধ্যকরণে নানা হুমকি ধমকি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনমুখী মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে মানুষ ভয়ার্ত হয়ে পড়ে। 

তারেক রহমানের আগমন ও সম্বর্ধনা 

এমন প্রেক্ষাপটেই তারেক রহমানের আগমন। এটা বিএনপি কেন, তারেক নিজেও ভাবেননি, দেশের মানুষ তার প্রতীক্ষা ও তার জন্য কতটা প্রত্যাশার প্রহর গুনছিলেন। সেদিন ৩০০ ফিটে তারেকের গণস্বমর্ধনায় বিএনপিছাড়াও সাধারণ মানুষের উপচে পরা ভীড় ও সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে দেশের সকল আইনশৃংখলাবাহিনীর সরব উপস্থিতি ও তারেকে সিকিউরিটি প্রধানটা প্রমাণ দেয়- তারেক একটা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ব্যাস এটুকই নয়- তার সামনে দেশ নেতৃত্বদানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত হয়ে আছে। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা সেরে তাকেই দেশের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এমনকি এসব ঘটনা ৯০% কমে গেছে তারেক রহমানের দেশে পা রাখার সাথে সাথে। যে শুণ্যতায় ছিল এক দল মানুষের লম্পঝম্প, তা মিলিয়ে গেছে তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা ও উপস্থিতিতে। 

এটা গেল তারেক রহমানকে গ্রহণের প্রথম পর্ব। 

খালেদা জিয়ার ইন্তেকালকে ঘিরে তারেকের উত্থানের আরেক পর্ব 

খালেদা জিয়ার মৃত্যু পরবর্তিত ঘটনাবহুল পরিস্থিতিটাকে তারেক রহমানের উত্থানের দ্বিতীয় পর্ব বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। বাংলাদেশে খালেদা জিয়া কত জনপ্রিয় ছিল তার প্রমাণটা তিনি তার মৃত্যুদিয়ে আরেকবার প্রমাণ করে গেছেন। 

তরেক রহানের জন্য এটা নিঃসসেন্দেহে কষ্টদায়ক, দুঃখজনক। শুধু তারেকই নয়, গোটা বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও সমার্থক ও খালেদা জিয়ার শত্রুরাও তার এমন বিদায়ে ব্যাথিত। গোটা জীবনটাই যিনি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য উজাড় করে দিয়ে গেছেন তার বিদায় মানুষ মনে রাখবে ভীষণ ব্যাথিত হবে এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বিশাল জানাজা নামাজে উপস্থিতি আর কখনও হয়নি। অনেক বিশ্লেষক এটাকে ২৪ থেকে ৩৫ লাখ মানুষের উপস্থিতি হিসেবে বিভিন্ন গাণিতিক পরিসংখ্যানে উল্লেখ করেছেন। ওটা ভিন্ন এক প্রসঙ্গ। ওই জানাজা ঘিরে তারেক রহমানের প্রতিটা পদক্ষেপ, সংযম, মাকে খাটিয়ায় পাশে রেখে জানাজার আগে তার সংক্ষিপ্ত কথাসহ সবকিছুই প্রমাণ মিলেছে আগের তারেক আর নেই। ভীষণ পরিণত একজন নেতার প্রতিচ্ছবি তারেক রহমান। আগেই তার প্রমাণ মিলেছে। শেখ হাসিনর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তারেক যেভাবে বিএনপিকে আগলে রাখেন। ভাঙন ঠেকিয়েছেন। ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন সুদুর লন্ডন থেকে, তারেক সেখনেই বিএনপির নেতাকর্মীর কাছেই নয়, গোটা বাংলাদেশের মানুষের কাছে একজন সুযোগ্য নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। 

দেশে তারেক রহমানের কর্মব্যস্ততা

দেশে ফেরার পর মানুষের ভালবাসা ও শ্রদ্ধায় ভেসেছেন তারেক রহমান। যেখানেই গেছেন মানুষ এক নজর দেখতে অস্থির। এ এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এয়ারপোর্ট থেকে ৩০০ ফিট সবংর্ধনাস্থল, কিংবা বাসা থেকে সাভারস্মৃতি সৌধ, পথে পথে লাখো মানুষের জন্য গাড়িতে থাকলেও হেঁটে যাবার মত অবস্থা ছিল না।

তবে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তারেক রহমানের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা ভালবাসা দেশ বিদেশের মানুষের বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। বিশেষ করে জানাজার আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের স্পিকার ছাড়াও সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত করে সমবেদনা জ্ঞাপন করে। এছাড়াও বিদেশে যেমনটা দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনে এসে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাহ শরীফেরশোক বইয়ে স্বাক্ষর ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ইইউসহ বিশ্বের প্রায় সব প্রভাবশালী দেশ খালেদা জিয়ার প্রতি যে শোক জ্ঞাপন করেছে এটা বিএনপি ও তারেক রহমানকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়। একই সঙ্গে এসব দেশের অনেকেই ভবিষ্যতে তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার যে অঙ্গীকার সেটা এ মুহূর্তে বিএনপিকে অন্য এক উচ্চাতার আসীন করেছে। একের পর দেশ বিদেশের রাজনৈতিক দলসমূহ, বিভিন্ন দেশ বিদেশের সংস্থাসমূহ তারেকের সঙ্গে দেখা করে ভবিষ্যতে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখাচ্ছে। যা এখনও চলমান। 

শুধু এখানেই নয়, বাংলাদেশের চালিকা শক্তির যেসব প্রাণ সে ব্যবসায়ী সমাজ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব বা দলের মধ্যে এমন আর কেউ অবশিষ্ট নেই যে যারা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত করেনি। ওই তালিকায় রয়েছে জামায়াতে ইসলামীও। এমনকি ভবিষ্যতে নির্বাচনের পরও জামায়াত বিএনপির সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছে। এতে করে তারেক ও বিএনপির এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন নিজেদের আপারহ্যান্ড থাকা মনে করাদের অনেকেই পেছনে পড়ে এখন নতুন সব বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ খুঁজছে। এরমধ্যে বড় অজুহাত আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আইনশৃংখলা সঠিক পর্যায়ে নেই। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। প্রশাসনের কেউ কেউ একটি দলের প্রতি হেলে গিয়ে নানা কাজ করছে প্রভৃতি।

বড় কথা অন্তর্বর্তী সরকার খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পূর্ণ রাষ্টীয় মর্যদায় করার সিদ্ধান্ত গহণের পর থেকে কঠোর নিরাপত্তা ও সেনাবাহিনীর তত্ত্ববধায়নে যেভাবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন হয়েছে খালেদা জিয়াকে, সেটা ছিল রাজকীয় ও রাষ্ট্রীয় মর্যদাপূর্ণ। প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ এ ক্ষেত্রে সামান্য কার্পণ্য পর্যন্ত করেনি। 

সব মিলিয়ে তারেকের আগমন, খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে ভবিষ্যত রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তারেক রহমানের বর্তমান উপস্থিতিতে গোটা বাংলাদেশের রাজনীতি যেখানে ৫ আগস্টের পর ভিন্ন এক ধারায় বহমান ছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশের আপামর মানুষের ছিল শঙ্কা, সেখান থেকে হঠাৎ ইউটার্ন ঘটেছে। দেশ এখন এক গণতন্ত্রের যাত্রার ট্রেনে, এমনটা বলা যেতেই পারে। কেননা দেশের মানুষ যাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবেন সেটা নিছক তাদের সিদ্ধান্ত। এখানে মানুষ কোনো ধোকার সম্মুখীন হবে না, কোনো ভয়ে দিন কাটাবে না। মানুষ চায় সুন্দর সমৃদ্ধির এক বাংলাদেশ, যেখানে মব সন্ত্রাস, চাঁদা, ডোনেশন বা এয়ানত টাইফের কোনো ভিক্ষা বা জোড়জবরদস্তি ভাবে মানুষের কাটা হবে না পকেট- এমন এক বাংলাদেশ। 

শেয়ার করুন