২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ০৯:৪১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


আলোচিত তিন্নি হত্যা মামলায় অভি খালাস
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০১-২০২৫
আলোচিত তিন্নি হত্যা মামলায় অভি খালাস সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি ও গোলাম ফারুক অভি


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোর ছাত্রনেতা ও সাবেক জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভিকে খালাস দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ঢাকার বিনোদন জগতের এক সময়ের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যার। 

গত ১৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার ঢাকার ২য় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা. শাহীনুর আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাকে খালাস প্রদান করেন। রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মো. আবু জাফর রিজভী। পূর্ণাঙ্গ রায় দেখে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান তিনি। মামলায় অভি পলাতক রয়েছেন। তার পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী শাহ্ ইলিয়াস রতন সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তখনকার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী তিন্নি হত্যার প্রায় দুইযুগ পর এই রায় হলো। তিন্নির মৃত্যুর ঘটনা রহস্যজনক এবং তা বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে ওই সময়। তিনির জন্ম ঢাকার ওয়ারীতে ১৯৭৭ সনে। সেখানেই বেড়ে ওঠা তার। 

মডেল তিন্নি হত্যাকাণ্ড 

২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর ১ নম্বর চীন মৈত্রী সেতুর ১১ নম্বর পিলারের পাশে মডেল তিন্নির লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পরদিন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন। এ মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কাইয়ুম আলী সরদার। এর পর তিন্নির লাশের ছবি পত্রিকায় ছাপা হলে সুজন নামে নিহতের এক আত্মীয় লাশটি শনাক্ত করেন। 

২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর সাবেক ছাত্রনেতা ও সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভিকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ।

উল্লেখ্য, গোলাম ফারুখ অভি প্রথমত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তিতে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগদান করে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন (১৯৯৬) তৎকালীন বরিশাল-২ (উজিরপুর বাবুগঞ্জ) আসন থেকে। 

উজিরপুরের সন্তান অভি ওই ঘটনার পর থেকেই পালাতক। এলাকায় প্রকাশ, তিনি বর্তমানে কানাডায় প্রবাসী। তবে অভি’র সঙ্গে উজিরপুর তার এলাকার লোকজনের সঙ্গে যোগসাজোগ রয়েছে। বিগত সময়ে তার বক্তব্য মাইকে প্রচার করারও ঘটনা ঘটেছে তার এলাকা উজিরপুর, ধামুড়া অঞ্চলে। এলাকার সন্তান হিসেবে উজিরপুরে অভির ব্যাপক জনপ্রিয়তা। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য হয়ে এলাকার উন্নয়নেও অনেক ভূমিকা রাখেন। এ জন্যই তার প্রতি এলাকার মানুষের অন্যরকম একটা ভালবাসা আজো বিদ্যমান।

শেয়ার করুন