২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০৫:৫৮:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


জনসমর্থন থাকলে পুলিশ কেনো, প্রশ্ন নজরুলের
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৭-১২-২০২৩
জনসমর্থন থাকলে পুলিশ কেনো, প্রশ্ন নজরুলের বক্তব্য রাখছেন নজরুল ইসলাম খান


‘একতরফা’ নির্বাচনে জনসমর্থন থাকলে কেনো পুলিশকে দিয়ে কাউন্সিলারদের ভোট কেন্দ্রে ভোটার আনতে নির্দেশনার দেয়া হচ্ছে - তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নজরুল ইসলাম খান। গত ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে মতিঝিল থেকে দিলকুশা সড়কে ভোট বর্জনের লিফলেট বিতরণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এই প্রশ্ন রাখেন। তিনি বলেন, আমাদের প্রশ্ন জনগণকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য ডামি প্রার্থী লাগবে কেনো? তাহলে সেই নির্বাচনে জনগণকে আনার জন্য বিভিন্ন রকমের যারা সরকারি অর্থের সুবিধা পান তাদেরকে হুমকি দেয়া হয় কেনো যে ভোটে না আসলে তাদের কার্ড বাতিল করা হবে, কেনো পুলিশকে দিয়ে পুলিশ কমিশনার কাউন্সিলরদের ডেকে বলতে হয় আপনারা ভোটাদেরকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে আসবেন- কেনো করতে হয়? আপনি কি মনে করেন জনগণ ভোট দেবে? নো, জনগণের ভোট দেয়ার কোনো আগ্রহ নেই। কারণ জনগণ জানে যে এই ভোটের কোনো অর্থ নেই, এটা কোনো ভোট না, এটা কোনো নির্বাচন না।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, এই নির্বাচনে আপনারা (জনগণ) যাবেন না। যে সরকার জনগণের স্বার্থ, দেশের স্বার্থ, জনগণের জীবন-জীবিকা নিয়ে খেলা করে সেই সরকারকে অসহযোগিতা করুন। এই ডামি নির্বাচন ইতিহাসে প্রথম শুনলাম- একটা রাজনৈতিক দল বলে দেয় নিজের প্রার্থীর বাইরে আরো ডামি প্রার্থী দেবেন? কি জন্য বলে? যাতে বেশি লোক আসে। তাহলে সরকার বুঝে জনগণ এই নির্বাচন সমর্থন করে না, এই নির্বাচনে আসতে চায় না। এটা কি নির্বাচন? এটা অবৈধ নির্বাচন। এই নির্বাচনে মানুষ ভোট কেন্দ্রে যাবে না। দেশের অর্থনীতি আজকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিপর্যস্ত ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দূরাবস্থা- সেই সময়ে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে অবৈধ এই নির্বাচনে। আমরা বলি এই অবৈধ নির্বাচনে এই খরচ বন্ধ করুন। যাকেই ভোট দেবেন আওয়ামী লীগের লোককেই ভোট দেবেন। হয় নৌকা প্রার্থী, হয় ডামি প্রার্থী, না হয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী- কাজেই এটা কোনো নির্বাচন না। এই নির্বাচন যাবেন না। তিনি বলেন, আমরা এই নির্বাচন চাই না। জনগণ যাতে ভোট দিতে পারে, জনগণ যাতে তার প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে আমরা সেই রকম একটা নির্বাচন চাই। আমরা সেই জন্য এই নির্বাচন বন্ধ চাই।

 এই সময়ে নেতা-কর্মীরা ‘অবৈধ নির্বাচন মানি না মানব না’, ‘নীল-নকশার নির্বাচন মানি না মানব না’, ‘খালেদা জিয়ার সংগ্রাম চলছে, চলবে’, ভোট চোর ভোট শেখ হাসিনা ভোট চর’ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে।

শেয়ার করুন