১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৬:৩১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


২০২৩ সালে ৩৬ শতাংশ স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যান
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০৪-২০২৪
২০২৩ সালে ৩৬ শতাংশ স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যান স্টুডেন্ট ভিসা


স্টুডেন্ট ভিসা এফ-১ ভিসা নামে পরিচিত। এই ভিসা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে উচ্চ-দক্ষ অভিবাসীদের জন্য প্রাথমিক জাম্পিং-অফ পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত। ছাত্ররা আমেরিকার অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অধ্যয়ন করে এবং তারা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি খুঁজে পায়। এই ভিসার গুরুত্ব সত্ত্বেও স্টেট ডিপার্টমেন্ট ২০২৩ সালে ৩৬ শতাংশ স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যান করেছে। যা ২০২২-এর রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট আলাদাভাবে স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ বর্ণনা করে না কিন্তু স্থায়ীভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে না থাকার ইচ্ছা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিভিন্ন কনস্যুলেট এসব আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। আবেদনকারীদের নিজ দেশের সঙ্গে পর্যাপ্ত সম্পর্ক দেখাতে হবে, যা তাদের স্টাডি শেষ হয়ে গেলে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। একজন আবেদনকারীর স্টাডি শেষ হলে তিনি তার দেশে ফিরে যাবেন বিবেচনা করে ভিসা প্রদান করার নিয়ম থাকলেও অফিসাররা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। 

৩৬ ভাগ আবেদন প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অর্থনৈতিকভাবে খতিগ্রস্ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে একজন শিক্ষার্থী এফ-১ ভিসার জন্য আবেদন করার আগে তাদের অবশ্যই সরকার অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বা গৃহীত হতে হবে। এর মানে হলো ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫৫ জন শিক্ষার্থীকে প্রত্যাখ্যান করেছে। যারা প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার ডলার বা বছরে ৭.৬ বিলিয়ন ডলার টিউশন এবং জীবনযাত্রার খরচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দিতে পারতো। চার বছরে এই সংখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হারানো অর্থনৈতিক সুবিধার ৩০.৪ বিলিয়নে বেড়েছে।

শেয়ার করুন