২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০৫:৩১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


নতুন সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ জ্বালানি ও অর্থনীতি
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-০১-২০২৪
নতুন সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ জ্বালানি ও অর্থনীতি


নানা চ্যালেঞ্জ, দেশি-বিদেশি নানা চাপ সত্ত্বেও নির্বাচন সম্পাদন করেছে নির্বাচন কমিশন। অবশ্য মূল বিরোধীদল নির্বাচন বর্জন করায় সরকারি দলের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল নিজেদের দলের মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ২৯৯ আসনের মধ্যে ২২২ আসন জিতে আওয়ামী লীগ প্রত্যাশিতভাবেই নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে। ৬১টি আসন পেয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। ১১টি সরকার সমর্থিত জাতীয় প্রার্থী। সরকারদলীয় কিছু হ্যাভিওয়েট প্রার্থী হেরে গেছে। হেরেছে হাসানুল হক ইনু, বাঘা কাদের সিদ্দিকী, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মেজর আখতারুজ্জামান, শমসের মবিন চৌধুরী, তৈমূর আলম খন্দকারের মতো জাদরেল প্রার্থী।

নির্বাচন হয়ে গেল। এখন কি করবে বিএনপিসহ বিরোধীদলগুলো? আওয়ামী লীগের কৌশলের জালে ধরা পড়ে পদে পদে ভুল করেছে বিএনপি। আজ না হলেও এক সময় বুঝতে পারবে নির্বাচন বর্জন করে কিছুই অর্জন করেনি বিএনপি। যুক্তরাষ্ট্র বা কোনো পশ্চিমা দেশ কোনোভাবে কোনো দলকে ক্ষমতায় আনা বা ক্ষমতা থেকে অপসারণ বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বাস্তবসম্মত না। দূও দেশ থেকে দূরালাপনী দিয়ে একটি রাজনৈতিক দল পরিচালনা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে অচল। 

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ধারাবাহিকভাবে চতুর্থ বারের মতো সরকার গঠন করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। গত তিন টার্মে ১৫ বছর দেশ পরিচালনায় অনেক অর্জনের পাশাপাশি বেশ কিছু বড় দাগের ব্যর্থতা আছে। সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা সুশাসনের অভাব, সর্বগ্রাসী দুর্নীতি দমনে ব্যর্থতা, ব্যাংক, শেয়ার মার্কেটে অবাধ লুটপাট। অতিরিক্ত আমলা ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দাপটে সরকারের অনেক ভালো উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখেনি। সরকারপ্রধান অনেক ক্ষেত্রেই একাকী যুদ্ধ করেও কূলকিনারা খুঁজে পাননি। আশা করা যায়, সেসব থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারপ্রধান নতুন করে ঘর সাজাবেন। সঠিক মানুষদের সঠিক স্থানে পদায়ন করবেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ প্রকৃত প্রস্তাবেই বাস্তবায়ন করবেন। 

মার্কিন বা অন্য কোনো শক্তির অর্থনৈতিক অবরোধের জুজুর ভয় হজম করে লাভ নেই। সরকারকে লড়াই করতে হবে অর্থনৈতিক সংকট আর জ্বালানি সংকটের বিরুদ্ধে। সেই যুদ্ধে জয়ী হতে প্রয়োজন প্রধানমন্ত্রীর পাশে কিছু দেশপ্রেমিক সৎ মন্ত্রী ও উপদেষ্টা। কিছু কিছু হেভিওয়েট প্রার্থীকে লাল কার্ড দেখিয়ে জনগণ কিন্তু সতর্ক সংকেত দিয়েছে।

শেয়ার করুন